আজকাল বাজারে অনেক ধরনের ফলেই ভেজাল ও রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া যায়। বিশেষ করে কলা দ্রুত পাকানোর জন্য অনেক সময় ক্যালসিয়াম কার্বাইড ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা নিয়মিত খেলে শরীরে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে হজমের সমস্যা, মাথাব্যথা এবং স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই কলা কেনার সময় সতর্ক থাকা জরুরি, যাতে গাছপাকা কলা ও কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা আলাদা করে চেনা যায়।
ভারতীয় গণমাধ্যম ‘এই সময়’-এর প্রতিবেদনে কার্বাইড দিয়ে পাকানো কলা চেনার কিছু গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে।
স্বাভাবিকভাবে পাকা কলা সাধারণত সমানভাবে রঙ পরিবর্তন করে না। এতে হালকা দাগ বা কালচে ছোপ থাকতে পারে, যা অনেক সময় প্রাকৃতিক পাকার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু খুব বেশি চকচকে, একদম পরিষ্কার ও দাগহীন কলা অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিমভাবে পাকানো হতে পারে।
প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলার খোসা ধীরে ধীরে পাতলা হয়ে আসে। কিন্তু কার্বাইড দিয়ে পাকানো কলায় অনেক সময় খোসা বাইরের দিকে পাকা দেখালেও ভেতরের অংশ কাঁচা থেকে যায়। তাই কলার খোসা পাতলা না মোটা, সেটিও খেয়াল করা জরুরি।
গাছপাকা কলার একটি স্বাভাবিক মিষ্টি গন্ধ থাকে, যা সহজেই অনুভব করা যায়। অন্যদিকে রাসায়নিক দিয়ে পাকানো কলায় সেই প্রাকৃতিক গন্ধ অনেক সময় থাকে না বা অস্বাভাবিক তীব্র গন্ধ পাওয়া যেতে পারে। তাই কেনার সময় গন্ধ পরীক্ষা করাও একটি ভালো উপায়।
গাছপাকা কলা সাধারণত মিষ্টি, নরম এবং ক্রিমি স্বাদের হয়। কিন্তু কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা অনেক সময় স্বাদহীন বা কম মিষ্টি লাগে। এমনকি খেতে কিছুটা অস্বস্তিকরও মনে হতে পারে।
সঠিকভাবে কলা নির্বাচন করলে শুধু স্বাদই ভালো পাওয়া যায় না, স্বাস্থ্যঝুঁকিও অনেকটা কমে। তাই বাজার থেকে কলা কেনার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি।
প্রতি / এডি / শাআ